শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে দেশের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা ও শিক্ষিকা রিবন রুপা দাশের রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন Logo বীরগঞ্জে মাদক বিক্রেতা স্বামী স্ত্রী সহ আটক ৩ Logo রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ এএসআই কুড়িগ্রাম সদর থানার শাহিন Logo নড়াইলের লোহাগড়ায় ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্গন চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলামের সমর্থকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা Logo ভুট্টার বাম্পার ফলনে লাভের স্বপ্ন দেখছেন,বীরগঞ্জের ভুট্টা চাষীরা Logo সমস্ত জাতিবেদ প্রথা বিলুপ্তিতে শ্রীচৈতন্যদের ভূমিকা অপরিসীম Logo চট্টগ্রামে মানবাধিকার কর্মী জুয়েল আইচ এর নামে বিভিন্ন ফেইক আইডি থানায় জিডি Logo লাঙ্গল বন্দ স্নান উৎসবে সনাতনী সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের সেবা দানে প্রসংশায় পঞ্চমুখ তীর্থযাত্রীবৃন্দ Logo বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সনাতনী সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের শরবত বিতরণ

সাধারণ নির্বাচনে জয়ী না হয়েও যেভাবে প্রধানমন্ত্রী হলেন লিজ ট্রাস

সোনার বাংলা নিউজ / ৭৮ বার পঠিত
আপডেট : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৯:১৫ অপরাহ্ণ

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন কনজারভেটিভ পার্টির নেতা লিজ ট্রাস। নিজ দলের প্রতিদ্বন্দ্বি ঋষি সুনাককে হারিয়ে কনজারভেটিভ পার্টির নতুন নেতা এবং পরবর্তী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

নিজ দলের নেতাদেরই চাপের মুখে পড়ে গত ৭ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন বরিস জনসন। এরপর শুরু হয় নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের প্রক্রিয়া।

লিজ ট্রাস বরিস জনসনের অধীনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি নারী বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন।

ওই সময় বিরোধী দলগুলোর বরিস জনসনের প্রতি দাবি করেছিলেন, তিনি যেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ নির্বাচনও ঘোষণা করেন। কিন্তু বরিস তা করেননি। এর বদলে নিজ দল কনজারভেটিভ পার্টির প্রধানের পদ ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী যদি কেউ দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন তাহলে ওই দলটি তাদের নতুন নেতা নির্বাচন করবে এবং তিনিই দলীয় প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী হবেন।

এভাবেই লিজ ট্রাস সাধারণ নির্বাচনে জয়ী না হয়েও দলীয় প্রধান নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

তবে কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নেতা হতেও বেশ কয়েকটি ধাপ পার করতে হয়েছে লিজ ট্রাসকে।

প্রথম ধাপ শুরু হয় নিজ দলের সংসদ সদস্যদের ভোটাভুটির মাধ্যমে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য আগ্রহ দেখিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন আটজন। এই আট জন থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে সর্বশেষ প্রার্থী হিসেবে লিজ ট্রাস এবং ঋষি সুনাককে নির্বাচিত করেন কনজারভেটিভ পার্টির সংসদ সদস্যরা।

এরপর ঋষি সুনাক এবং লিজ ট্রাসের মধ্যে সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। এই নির্বাচনে ভোট দেন কনজারভেটিভ পার্টির সাধারণ সদস্যরা।

তাদের মধ্যে ৮১, ৩২৬ জন সদস্য লিজ ট্রাসকে ভোট দিয়েছেন। অন্যদিকে ঋষি সুনাককে ভোট দিয়েছে ৬০,৩৯৯ জন। ভোট দেওয়ার হার ছিল ৮২.৬ ভাগ।

সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD