বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
Logo রাস্তায় পড়ে থাকা অসুস্থ বৃদ্ধের চিকিৎসার সহ যাবতীয় দায়িত্ব নিলেন সনাতনী সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশন Logo হাবড়া নান্দনিক নাট্যোৎসবের কেতন ওড়ালো Logo নড়াইলে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ও বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এসপি মেহেদী হাসান Logo নড়াইলে ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি তরিকুল ইসলাম গ্রেফতার Logo বীরগঞ্জে কমেছে সবজি-পেঁয়াজের দাম, মাংসের দাম চড়া Logo বীরগঞ্জে জুয়া খেলার সরঞ্জাম সহ ইউপি সদস্যের দুই স্ত্রী’র কারাদন্ড Logo চট্টগ্রামে বিশ্ব নাট্য দিবস উদযাপন Logo পাহাড়ের নাট্য আন্দোলন ও একজন সোহেল রানা Logo বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত Logo নড়াইলের দিঘলিয়া বিটে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধের ৬ দফা দাবিতে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

সোনার বাংলা নিউজ / ১৭৭ বার পঠিত
আপডেট : রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৩, ৭:০২ অপরাহ্ণ

সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুর রাজ্জাক।

গত (২৫ মার্চ ২০২৩) শনিবার সকাল ১০.০০টায় ঢাকাস্থ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতন,ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে ত্রাসসৃষ্টি ও নারায়ণগঞ্জে নাবালিকা সোনালী রানী দাস(১৪)কে অপহরনের প্রতিবাদে এবং সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, সংখ্যালঘু কমিশন গঠনসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ সহ সকল নির্যাতনের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ,হিউম্যান রাইটস্ এ্যালায়েন্স বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরামের উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের সভাপতি এড. রবীন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বি ডি এম ডাব্লু ও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরামের সেক্রেটারী জেনারেল মানিক চন্দ্র সরকার,হিউম্যান রাইটস্ এ্যালায়েন্স বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মাহাবুবুল হক,এড. জগদীশ সরকার,আইন বিষয়ক সম্পাদক এড.,বাসুদেব গুহ, সুমন কুমার রায়,দপ্তর সম্পাদক গোপাল মন্ডল,সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জিত দাস, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সুকান্ত বাছার, দিলীপ রায়,প্রচার সম্পাদক গৌতম মন্ডল সহ বিভিন্ন সংগঠন থেকে আগত নেতৃবৃন্দ।

 বি ডি এম ডাব্লুর সভাপতি অ্যাড রবীন্দ্র ঘোষ সোনার বাংলা নিউজের রিপোর্টারকে জানান,     ৬ দফা দাবি হল  ১। সংখালঘু নিরাপত্তা ( সুরক্ষা) আইন প্রনয়ণ,  ২। সংখালঘু মানবাধিকার কমিশন গঠন, ৩। সংখালঘুদের উপর মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সমুহের বিচার তরান্বিত করা।৪। হিন্দুদের মন্দির, বৌদ্ধ সম্পদায়ের  উপাসনার স্থান, খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের ধর্মীয় স্থান সমুহ নিরাপদ রাখা। ৫। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার রোধে সংশোধন আনা। ৬। শত্রু ( অর্পিত) সম্পতি আইনের যথাযথ প্রয়োগ তরান্বিত করা।

 

উক্ত সমাবেশে  বক্তব্যকালে ডি এম ডাব্লুর সভাপতি এড. রবীন্দ্র ঘোষ বলেন সারা বিশ্বে সত্যিকারের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সকলকে এক সাথে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ মানে সুধু হিন্দু তা নয় মোসলমানদেরকে বাদ দিয়ে নয়। যেখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে সেখানেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অগ্রগন্য ভূমিকা রাখতে হবে,তাই বি ডি এম ডাব্লু ও সমমাননা সংগঠনগুলো বিশ্বাস করে, সহায়ক পরিবেশ ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মানবাধিকারের কর্মকান্ড সঠিক দক্ষতা আরো বৃদ্ধি হলে সমাজ পরিবর্তনের দূত হিসেবে অনেকেই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে। আমি ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে ও নির্যাতন বন্ধে এ যাবৎ কয়েক হাজার ঘটনায় ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিম দেরকে আইনি সহায়তা দিয়েছি তদন্ত করেছি এবং তাদের পাশে থেকে কাজ করেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্য হলেও সত্য অদ্যাবধি  নির্যাতন বৃদ্ধি পেয়েছে ঠিকই কিন্তু  একটুও কমেনি। তাই বর্তমান সরকারের কাছে দাবি করব নির্যাতন বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আমাদের দাবিগুলো পর্যালোচনা করে তা পূরণ করার জন্য।

 

বক্তব্যকালে সংগঠনের সেক্রটারী জেনারেল মানিক চন্দ্র সরকার বলেন, “প্রতিটি স্বতন্ত্র ব্যক্তি তাদের নাগরিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সব অধিকার পাওয়ার যোগ্য। এটি তাদের বসবাসের স্থান, বর্ণ, গোষ্ঠী, ধর্ম, সামাজিক উৎপত্তি, লিঙ্গ, যৌন পরিচিতি,রাজনৈতিক অথবা অন্য মতামত, প্রতিবন্ধিতা বা উপার্জন অথবা অন্য যেকোনো অবস্থান নির্বিশেষে প্রযোজ্য।” কিন্তু সে অধিকার থেকে বিভিন্ন ভাবে বঞ্চিত হয় মানুষ। আমাদের দেশে সম্প্রতি পূজামন্ডপে হামলা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক সংখ্যালঘু নির্যাতন ঘটে গেছে তা বন্ধে সরকারকে আরও সচেষ্ট হতে হবে। যে কোনো মূল্যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের যা যা করার দরকার তা তা করতে হবে। সমমর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই সরকার তার পবিত্র দায়িত্ব পালন করবে এটাই চায় বাংলাদেশের সকল সম্প্রদায়ের সচেতন নাগরিকরা।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্যাতিত সংখালঘুরা সমাবেশে উপস্তিত থেকে তাদের উপর প্রতিনিয়ত অন্যায় আচরণ, হত্যা, নারী নির্যাতন,জমি দখল, মন্দিরে অগ্নি সংযোগ, জবর দখল, ধর্মান্তর করন, অবমাননা, শিশু অপহরন, অহেতুক ধর্মিয় অবমাননা (ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার) বিনা কারনে জেল বন্ধি ইত্যাদি মানবাধিকার লঙ্ঘন জনিত  অপরাধের বিবরণ তুলে ধরেন। অনেকে কান্না বিজড়িত কন্ঠে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এবং বিচার দাবী করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD