শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে দেশের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতা ও শিক্ষিকা রিবন রুপা দাশের রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন Logo বীরগঞ্জে মাদক বিক্রেতা স্বামী স্ত্রী সহ আটক ৩ Logo রংপুর বিভাগের শ্রেষ্ঠ এএসআই কুড়িগ্রাম সদর থানার শাহিন Logo নড়াইলের লোহাগড়ায় ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্গন চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলামের সমর্থকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা Logo ভুট্টার বাম্পার ফলনে লাভের স্বপ্ন দেখছেন,বীরগঞ্জের ভুট্টা চাষীরা Logo সমস্ত জাতিবেদ প্রথা বিলুপ্তিতে শ্রীচৈতন্যদের ভূমিকা অপরিসীম Logo চট্টগ্রামে মানবাধিকার কর্মী জুয়েল আইচ এর নামে বিভিন্ন ফেইক আইডি থানায় জিডি Logo লাঙ্গল বন্দ স্নান উৎসবে সনাতনী সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের সেবা দানে প্রসংশায় পঞ্চমুখ তীর্থযাত্রীবৃন্দ Logo বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সনাতনী সেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের শরবত বিতরণ

ঘোড়াঘাটে শোকাবহ ১৫ আগস্ট আলোচনা সভা ও শোক শোভাযাত্রা।

সোনার বাংলা নিউজ / ১৫০ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৩, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
Exif_JPEG_420

সিনিয়র রিপোর্টার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

দিনাজপুরে ঘোড়াঘাটে আজ (১৫ আগস্ট ২০২৩) সকাল ১০.০০ মিনিট সময়ে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮ তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ,প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানান ও জাতীয় দলীয় পতাকা অদ্য নির্মিতকরণ শোক পতাকা  উত্তোলন এবং পরে রাণীগঞ্জ দ্বিতীয় দ্বি মুখি উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বিকাল ০৩.০০ মিনিট সময়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ,ঘোড়াঘাট উপজেলা শাখা।
আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ সদের আলী খন্দকারের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ত করেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আব্দুর রাফেখন্দকার সাহানশা।
সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুর রাফেখন্দকার সাহানশা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সদের আলী খন্দকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কাজী মাকসুদার রহমান লাবলু, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রদিপ চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম মিয়া, প্রমুখ। সকলে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন।
সভাপতি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এক নির্মম ভয়ংকর বর্ররাচিত হত্যাকাণ্ডের নীল নকশায় জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপরিবারসহ তাঁদের কে হত্যা করে নীল নকশা কারিরা, বাঙালি জাতির নয়নের মণি ছিল জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙ্গে বাঙালির সার্বিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে কারাবরণ করেন।১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ অর্জন করে নিরঙ্কুশ বিজয়। তবুও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বাঙালিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নেয়।১৯৭১সালের ২রা মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে বাংলায় সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রায় দশ লক্ষ লোকের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৮ মিনিটের ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। যা বাংলাদেশের জন্য গৌরবের।এই ভাষণ ৭ই মার্চের ভাষণ হিসেবে বিখ্যাত। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি ও বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতি ও দেশব্রতে যুক্ত হন। ভাষা আন্দোলনসহ বিভিন্ন গনতান্ত্রিক আন্দোলনে যোগ দিয়ে তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন। বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি রচনায় তাঁর অবদান অপরিসীম। তিনি বাঙালির স্বায়ত্তশাসনের দাবি ৬ দফা আন্দোলনের মুখ্য প্রবক্তা। শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনাকালে ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন।১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ মধ্যরাতের পরে পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালির এই অবিসংবাদিত নেতাকে তাঁর ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে অর্থাৎ ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। মুক্তিযুদ্ধকালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তাঁকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার যুদ্ধ পরিচালনা করে।দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফেরেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার মহান দায়িত্বে ব্রতী হন। তাঁর সরকারই স্বল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশর সংবিধান রচনা করে (১৯৭২)।১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তিনি প্রথম বাংলা ভাষায় ভাষণ দিয়ে বাংলাকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেন। এক নির্মম ভয়ংকর বর্ররাচিত হত্যাকাণ্ডের নিল নকশায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপরিবারসহ তাদেরকে হত্যা করে তত্কালীন সামরিক বাহিনীর কতিপয় সদস্যরা।
১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট সামরিক বাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সদস্যের হাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। যা বাঙালি জাতির জন্য অত্যান্ত দুর্ভাগ্যজনক। তাদের আত্মার মাগফেরাতের জন্য আমরা সকলেই দোয়া করব ইনশাআল্লাহ।
‌সভা শেষে একটি শোক শোভাযাত্রা বেড় করা হয় শোভাযাত্রাটি রাণীগঞ্জ বাজারের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শেষ হয়, হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা ও শোক শোভাযাত্রা সম্পুর্ন হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD